শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৩

বাকি নেতাদের জেলে নিলে পরিস্থিতি শান্ত হবে : কামরুল

ঢাকা : বিএনপি-জামায়াতের যে সব রাজনীতিবীদরা বর্তমানে হত্যার হুমকি দিচ্ছে এবং দেশের পরিস্থিতি অশান্ত করতে চাচ্ছে তাদেরকেও জেলে নিতে হবে। বাকি ওই নেতাদের জেলে নিলেই দেশের পরিস্থিতি একবারে শান্ত হবে বললেন, আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। শুক্রবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন


বিরোধী জোটের অপপ্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করার জন্য উন্মাদ হয়ে গেছে। তারা দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে দেশকে ’৭৫-এ নিয়ে যেতে চাইছে। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের এই ষড়যন্ত্র প্রতিরোধ করতে হবে।’ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাপরিষদের সদস্য ও দপ্তরবিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত বলেন, ‘শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা আন্দোলনে সরকার সবসময়ই সচেতন। সম্মেলনে উত্থাপিত শ্রমিকদের ১২ দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকার অবশ্যই সহায়তা করবে।’ শ্রমিকদের দাবি বাস্তবায়নে এগিয়ে আসার জন্য মালিকদের প্রতিও এ সময় আহ্বান জানান তিনি। ইনসাফের সভাপতি রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, বাংলাদেশের ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি শহীদুল্লাহ চৌধুরী, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।


মিলনায়তনে ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশের জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, বিরোধী দলীয় নেতা কর্মীদের আচারনের  ওপর নির্ভর করবে কে জেলের বাইরে থাকবে আর কে জেলের ভেতরে। আপনারা যে সহিংসতার পথে হাঁটছেন তা কঠোর হস্তে কমোকাবেলা করা হবে। দেশের মানুষের জানমাল ক্ষতি করলে তা সরকার মেনে নেবে না। তার জন্য সরকার প্রয়োজনীয় ব্যাবস্হা নেবে। বিএনপি-জামায়াতের  নেতারা জেলে বন্দি এটা খুবই দু:খজনক। কিন্তু আসলে যারা বন্দি তারা রাজনৈতিক দলের আবরণে সন্ত্রাসীদের নেতা।দেশের মানুষে জানমাল রক্ষার স্বার্থে তাদেরকে জেলে বন্দি রাখা হয়েছে।